স্বামীর ভালবাসা অর্জন করার জন্য নারীদেরকে উদ্দেশ্যে কিছু নসীহত

স্বামীর ভালবাসা অর্জন করার জন্য নারীদেরকে উদ্দেশ্যে কিছু নসীহতঃ

1) স্বামী বাইরে থেকে এলে সাথে সাথে দরজা খুলে কাছে যেয়ে হাসি মুখে সালামের মাধ্যমে স্বগত জানিয়ে কুশল বিনিময় করা। তার হাতে কোন বস্তু থাকলে তা নিজের হাতে নেয়ার চেষ্টা করা।

2) বিভিন্ন উপলক্ষে লোকচক্ষুর আড়ালে স্বামীর হাতে কপালে চুম্বন করা।

3) সময় ও মেজাজ বুঝে স্বামীর সামনে প্রেম-ভালবাসা মিশ্রিত বাক্যালাপ করা। তার সামনে তার প্রশংসা করা। সম্মানও শ্রদ্ধা মূলক আচরণ করা।

4) স্বামীর পোশাক-আশাকের পরিচ্ছন্নতার প্রতি বিশেষ খেয়াল রাখা। (পরিচ্ছন্ন পুরুষ মানেই তার স্ত্রী
পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন)।রান্নার ক্ষেত্রে স্বামী যা পছন্দ করেন তা নিজ হাতে প্রস্তুত করতে সচেষ্ট থাকা।

5) সর্বদাস্বামীর সামনে হাসি মুখে থাকা।

6) স্বামীরজন্য নিজেকে সুসজ্জিত রাখা। শরীরে দুর্গন্ধ থাকলে বা রান্না ঘরের পোষাকে তার সম্মুখে না যাওয়া। মাসিক ঋতুর সময়ও সুসজ্জিত অবস্থায় থাকা। এবং এসময় ময়লা কোন কিছু তার নজর পড়তে পারে এমন জায়গায় না রাখা।

7) স্বামীর সামনে কখনই নিজের কন্ঠকে উঁচু না করা। নারীর সৌন্দর্য তার নম্র কন্ঠে।

8) সন্তানদের সামনে স্বামীর প্রশংসা ও গুণগান করা।

9) নিজের এবং স্বামীর পিতা-মাতা, ভাই-বোন ও আত্মীয়-স্বজনের সামনে আল্লাহর কৃতজ্ঞতার সাথে সাথে স্বামীর প্রশংসা করা ও তার শ্রেষ্ঠত্ব তুলে ধরা। কখনই তার বিরুদ্ধে তাদের নিকট অভিযোগ করবে না।

10) সুযোগ বুঝে স্বামীকে নিজ হাতে লোকমা তুলে খাওয়ানো।

11) কখনো স্বামীর আভ্যন্তরীন গোপন বিষয় অনুসন্ধান না করা। কেননা কুরআনে আল্লাহ্ বলেন, “তোমরা কারো গোপন বিষয় অনুসন্ধান কর না।” (সূরা হুজুরাত -১৩)
নবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, তোমরা কারো প্রতি কুধারণা থেকে বেঁচে থাক। কেননা ধারণা সবচেয়ে বড় মিথ্যা।”

12) স্বামী কখনো রাগম্বিত হলে চুপ থাকার চেষ্টা করা। সম্ভব হলে তার রাগ থামানোর চেষ্টা করা। যদি সে নাহক রেগে থাকে তবে অন্য সময় তার মেজাজ বুঝে সমঝোতার ব্যবস্থা করা।

13) স্বামীর মাতা কে নিজের পক্ষ থেকে (সাধ্যানুযায়ী) কিছু হাদিয়া-উপহার প্রদান করা।

14) সম্পদশালী হয়ে থাকলে স্বামীর অভাব অনটনের সময় তাকে সহযোগিতা করা। উম্মে সালামা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! (আমার স্বামী) আবু সালামার
সন্তানদের জন্য যদি আমি অর্থ ব্যয় করি তবে কি তাতে আমি প্রতিদান পাব। ওদেরকে তো এভাবে ছেড়ে দিতে পারি না। ওরা তো আমারও সন্তান। তিনি বললেন, হ্যাঁ, তুমি যে পরিমাণ তাদের জন্য সম্পদ খরচ করবে, তোমাকে তার প্রতিদান দেয়া হবে।” (বুখারী ও মুসলিম)

15) স্বামীর নির্দেশ পালন, তার এবং তার সংসারের খেদমত প্রভৃতির মাধ্যমেআল্লাহর কাছে প্রতিদানের আশা করা।

আল্লাহ্ রাব্বুল আলামীন আমার সমস্ত বোন দের আমল করার তাওফীক দিন, ” আমীন “

Share this Post
Scroll to Top