হস্তমৈথনের কুফল!

হস্তমৈথনের কুফল!

★ হস্তমৈথন ইসলামে বৈধ নয় বরং হারাম।
বলতে জগণ্য লাগলেও!! হস্তমৈথন /fingering একটি সাধারণ ব্যাপার হয়ে গেছে। হাইস্কুল, কলেজ এমনকি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছেলেমেয়েদের অতি নগণ্য সংখ্যক ছেলে-মেয়ে ব্যতীত সবারই এটি একটি সাধারণ অভ্যাস!!! “এমনকি বিশ্ববিদ্যালয়” বলার কারণ বিশ্ববিদ্যালয়ের গন্ডিতে এসেছে” কন্টাক্ট মেরেজ, গার্ল্ফ্রেন্ড /gf, বয়ফ্রেন্ড/bf অর্থই হল লাইচেঞ্জ ছাড়াই ড্রাবিং / বিয়ের পূর্বের…! তবে কিছু সংখ্যক সবসময়ইই ব্যতিক্রম!!
★★সবচেয়ে খারাপ লাগে কিছু “ভিডিও , লিখনীতে” বলা হয় :”” হস্তমৈথুন/fingering কোন ক্ষতির কারণ নয় বরং শরীরের পক্ষে ক্ষতিকর নয়! আমার মনে হয় সে/তারা কখনো “রোগির case taking করে নি” । ★
হস্তমৈথুনের ফলে যা হয় –

১)) মানসিক বিভিন্ন রোগ যেমনঃ একাকীত্ব, অমনোযোগী , অলস,গৃহ আবদ্ধতা, সসর্বক্ষণ মানসিকভাবে নোংরামিচিন্তা কল্পনা করা।

) ধব্জভংগ একটি অতিপরিচিত শব্দ এর মূল কারণও এটিই!!

৩)) বীর্য পাতলা হয়ে যাওয়া।

৪))অত্যাধিক যৌন দুর্বলতা।

৫))এমন নেশার সৃষ্টি হয় যে বিয়ের পরেও অনেকে স্বামী-স্ত্রী মিলন না করে এই অবৈধ নোংরা কর্ম করে।

৬))লিঙ্গ স্বাভাবিকের তুলনায় ধীরে ছোট হয়ে যায়। অথবা মেয়েদের জরায়ু বিভিন্ন সমস্যা হয়।

৭))লিঙ্গ শিথিল হয়ে যায়, erection সমস্যা দেখা দেয়, sexual time shortness হয়ে যায়। অপরদিকে মেয়েদের যৌনাংগের সংবেদনশীলতা কমে যায়।।
৮)) ছেলে মেয়ে উভয়েরই প্রসাবের “পূর্বে অথবা পরে অথবা পূর্বে ও পরে জ্বালাপোড়া করে।”
৯))বর্তমানে ডাক্তাররা অনেক সময় হিমশিম খেয়ে যায় ” রোগীদের দেখে যে : রোগীদের ইতিহাস পর্যালোচনা করে দেখা যায় গণোরিয়া হওয়ার কোন করণই নেই অথচ মনে হচভহে গণোরিয়ার পেসেন্ট”! এর একটি চমৎকার সমাধান আমরা দেখতে পাই! thuja নামক একটি ঔষেধের প্রুভিং এর সময়। হ্যানিম্যানের নিকটে একজন ধর্মযাজক আসে চিকিৎসা নিতে! তার সমস্ত লক্ষণ পর্যবেক্ষণ করে হয় “গণোরিয়া অথচ ইতিহাস খুঁজে মিলে না! অবশেষে জানতে পারে রোগীটি thuja খেয়েছি অতপর তিনি “thuja শক্তিকৃত করে দেওয়ায় আস্তে আস্তে সবলক্ষণ দুর হয়ে যায়!! এতে বুঝা যায় “হয়ত গণোরিয়া সেক্সুয়াল রিলেশন ছাড়াও হতে পারে অথবা এটা গণোরিয়া নয় কিন্তু গণোরিয়ার মত “!!!
যাইহোক , ডাক্তাররা এটাকে অনেক সময় সিফিলিস বলে চালিয়ে দেয়। তবে সিফিলিস বলেন আর গণোরিয়া বলেন এটা হওয়ার সম্ভবনা থাকে ৬০%।

১০) হস্তমৈথন /fingering বহুমুত্রের কারণ। অত্যাধিক হস্তমৈথনের ফলে urinery bladder এর মূত্র ক্ষমতা নষ্ট হয়ে যেতে থাকে ফলে ঘন ঘন প্রসাব হয়। অনেকে একে ডায়াবেটিস হয়েছে ভেবে বসে থাকে।

১১) অত্যাধিক হস্তমৈথন চুলপড়া, মাথ্যাব্যাথা,চোখের কোণে ব্যাথার একটি কারণ।
১২) হস্তমৈথনের ফলে কোমরে, অন্ডকোষেও ব্যাথ্যা হয়ে থাকে।
১৩)) হস্তমৈথনের ফলে চোখে ঝাপ্সা দেখা , স্মৃতিশক্তি ক্রমেই বিপুলতা সাধারণ ব্যাপার।
১৩)) এটার কারণ “ব্লাড পেশার এবং দুঃশ্চিন্তার জন্ম হবে এটাও সাধারণ ব্যাপার”!! এছাড়া দুই /ততোধিক নালীতে প্রসাব হওয়া,প্রসাব আটকে যাওয়া ইত্যাদি।
১৫)) সর্বাপরি এদের মনটাই নোংরা, কৃপণ, ভীরু,অতিদুর্বল মানসিক এবং শারিরিক উভয় দিক হতে।।

Share this Post
Scroll to Top