কথা বলার কতিপয় আদব

⁠⁠⁠♻ কথা বলার কতিপয় আদব:♻
? ১) ভালো কথা বলা অথবা নীরব থাকা। বাচাল লোক সবার অপ্রিয়।
? ২) কারো অনুপস্থিতে তার সমালোচনা না করা।
? ৩) কাউকে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করে কথা না বলা
? ৪) কারো অপছন্দনীয় নাম বা উপাধি ধরে না ডাকা।
? ৫) গালাগালি ও অভিশাপ দেয়া থেকে বিরত থাকা।
? ৬) সত্য কথা বলা। মিথ্যা না বলা (হাসির ছলে হলেও)।
? ৭) নোংরা ও অশ্লীল কথা-বার্তা সর্বদা ঘৃণ্য।
? ৮) কথা বলার ক্ষেত্রে বড়দেরকে অগ্রাধিকার দেয়া।
? ৯) শ্রোতার বোধগম্য করে ধীরস্থিরতার সাথে কথা বল।
? ১০) নরম ভাষায় কথা বলা।
(তবে নারীগণ পরপুরুষের সাথে নরম স্বরে কথা বলা হতে বিরত থাকবে)
? ১১) অযথা চিৎকার করে কথা না বলা।
? ১২) অন্যের কথা বলার মাঝে কথা না বলা।
? ১৩) কথায় কথায় কসম না খাওয়া।
? ১৪) না জেনে বা নিশ্চিত না হয়ে কথা বলা থেকে বিরত থাকা।
গ্রন্থনায়: আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল।      একজন মুসলিমের ব্যক্তিত্ব কেমন হওয়া উচিত?
?▪▪▪▪▪▪▪?
প্রিয় বন্ধু, মুসলিম হওয়া নি:সন্দেহে বিরাট সৌভাগ্যের ব্যাপার। ইসলাম আমাদের গর্ব। ইসলাম আমাদের মর্যাদার প্রতীক। এর মাধ্যমেই এ পার্থিব জগতে যেমন শান্তি ও সাফল্য পাওয়া যাবে ঠিক তদ্রূপপরকালিন জীবনে পাওয়া যাবে জাহান্নাম থেকে মুক্তির নিশ্চয়তা। কিন্তু আজ অনেক মুসলিম পরিচয় দিতে হীনমন্যতায় ভোগে। এর কারণ, ইসলাম সম্পর্কে সঠিক ধারণা না থাকা। ইসলামের সৌন্দর্য মণ্ডিত দিকগুলোর ব্যাপার ওয়াকিবহাল না থাকা। যার কারণে তার মাঝে ইসলামি ব্যক্তিত্বের ছোঁয়া পরিলক্ষিত হয় না। অত:এব আসুন, আমরা ইসলামী জীবন আদর্শকে বুকে ধারণ করি এবং সেই আলোকে গড়ে তুলি আমাদের লাইফ স্টাইল এবং ব্যক্তিত্বকে।
এখানে একজন মুসলিমের ব্যক্তিত্ব কেমন হওয়া উচিত সে ব্যাপার কয়েকটি পয়েন্টে তুলে ধরা হল:
? ** মুসলিম ব্যক্তি সর্বদা সত্য কথা বলবে। মিথ্যা কখনই বলবে না।
?** সে কখনো প্রতারণার আশ্রয় নিবে না। সে হবে বিশ্বস্ত এবং আস্থা ভাজন।
? ** সে অগোচরে কারো সমালোচনা করবে না বা কারো সম্পর্কে খারাপ মন্তব্য করবে না।
? ** সে হবে সাহসী। কাপুরুষতাকে সে ঘৃণা করবে।
? ** ন্যায়ের পক্ষে সে অত্যন্ত দৃঢ়তার পরিচয় দিবে। সত্য এবং বাস্তব ব্যাপারে দ্বিধা হীনভাবে নিঃসংকোচে কথা বলবে।
? ** সে হবে ন্যায়-নিষ্ঠাবান যদিও এতে তার ক্ষতি হয় বা তার বিপক্ষে যায়।
? ** সে অন্যের অধিকারে কখনো হস্তক্ষেপ করবে না।
? ** কেউ তার প্রতি অন্যায় করুক বা জুলুম করুক তা ও সে কখনই বরদাস্ত করবে না।
? ** সে হবে শক্তিশালী। অন্যের পক্ষ থেকে সে লাঞ্ছনার শিকার হতে আদৌ রাজি নয়।
? ** মুসলিম ব্যক্তি সব কাজে বিজ্ঞজনদের পরামর্শ নিবে। আর সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেললে মহান আল্লাহর প্রতি ভরসা রেখে সিদ্ধান্তে অবিচল থাকবে।
? ** সে তার উপর অর্পিত দায়িত্ব যথাসাধ্য পূর্ণাঙ্গ রূপে পালন করবে।
? ** সে হবে বিনয়ী এবং দয়ালু। ভালো এবং জনকল্যাণ মূলক কাজ নিজে করবে এবং অন্যকে তা করার প্রতি উৎসাহিত করবে এবং খারাপ কাজ থেকে দূরে থাকবে এবং অন্যকে তা থেকে নিষেধ করবে।
? ** সে আল্লাহর দ্বীনের সাহায্যে সর্বাত্মক চেষ্টা করবে।
? ** একজন মুসলিম নারী হিজাব পরিধান করবে এবং পরপুরুষের সামনে নিজেকে পূর্ণাঙ্গরূপে ঢেকে রাখবে।

অনুবাদ ও গ্রন্থনা: আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল।।

Share this Post
Scroll to Top