একজন ভালো পুরুষ সঙ্গী চিরসুখী করার ক্ষমতা রাখেন।

প্রত্যেক নারী-পুরুষ একে-অপরের ভালবাসার আহার।পুরুষেরা ভালো না, পুরুষদের মন নেই, বিয়ে করা মানে জীবন শেষ- পুরুষদের বিরুদ্ধে ইত্যাদি হরেক রকমের অভিযোগের শেষ নেই নারী মহলে। কিন্তু আসলেই কি সব পুরুষ খারাপ কিংবা আসলেই কি বিয়ের পর জীবনে অশান্তি ভরে যায়? উত্তরটা হলো, একদম নয়!

নারী-পুরুষ পরস্পরের পরিপূরক। একজন খারাপ স্বামী বা প্রেমিক যেমন কোন নারীর জীবনে অশান্তি ঢেলে দেয়ার জন্য যথেষ্ট, ঠিক একই ভাবে একজন অসাধারণ পুরুষ যে কোন নারীকে চিরসুখী করার ক্ষমতা রাখেন। আজ জেনে নিন তেমনই পুরুষদের সম্পর্কে।

১) যিনি কেবল সৌন্দর্য দিয়ে মানুষকে বিচার করেন না
হ্যাঁ, প্রথম আকর্ষণের ক্ষেত্রে সৌন্দর্য হয়তো বেশ জরুরী একটা বিষয়। কিন্তু জীবনে চলার পথে নয়। কেননা সৌন্দর্য বড় সাময়িক। যতদিন যৌবন, দৈহিক সৌন্দর্যের আয়ু কেবল ততটুকু।

যে পুরুষ একজন নারীকে কেবল সৌন্দর্যের খাতিরে ভালোবাসেন, তিনি কিন্তু অপেক্ষাকৃত বেশি সুন্দরী কাউকে পেলেই বর্তমান সঙ্গিনীকে ভুলে যাবেন। বরং নারীকে সুখী করতে পারেন সেইসব পুরুষ, যারা সৌন্দর্যের বাইরে মানুষ হিসাবে সঙ্গিনীকে দেখতে জানেন। তার ব্যক্তিত্ব, আদর্শ ও চাওয়া-পাওয়ার দিকে বেশি গুরুত্ব দেন।

২) সম্পর্কে সৎ থাকতে ভালোবাসেন যারা
সম্পর্কে ও জীবনে সোজা সাপটা মানুষগুলো সঙ্গী হিসাবেও ভালো হয়। সম্পর্কে যে পুরুষেরা সৎ থাকতে ভালোবাসেন, তাঁদের কাছ থেকে আর যাই হোক আপনি প্রতারিত হবেন না।

তিনি ভালবাসলে সেটা সহজ ভাবে বলবেন, আবার ভালো না বাসলেও জানিয়ে দেবেন। মনের মাঝে মিথ্যা সন্দেহ পুষে রাখার চাইতে সরাসরি বলতেই তাঁরা ভালোবাসেন, ফলে অনেক কিছুই সহজে মিটে যায়। এমন পুরুষেরা যখন কাউকে ভালোবেসে বিয়ে করেন, তখন তাঁকে নিয়েই বাকি জীবন কাটিয়ে দেন।

৩) যিনি কথা ও কাজে ভারসাম্য রাখতে জানেন
বিয়ের আগে এক রকম কথা ছিল, বিয়ের পর হয়ে গেলো আরেক রকম! হ্যাঁ, পুরুষদের নিয়ে নারীদের সবচাইতে বড় অভিযোগগুলোর মাঝে এটি একটি।

আর এই জন্যই নিজের জন্য বেছে নেবেন এমন সঙ্গী, যিনি তার ব্যক্তিগত জীবন কথা ও কাজের ভারসাম্য রাখেন। মনে রাখবেন, যে মানুষ নিজের দৈনন্দিন জীবনেই কথা-কাজের ভারসাম্য রাখতে পারে না, তিনি সম্পর্কেও এই ভারসাম্য রাখতে বিফল হবেন।

৪) যিনি ভালোবাসা প্রকাশ করতে লজ্জিত নন
পৃথিবীতে অসংখ্য পুরুষ আছেন, যিনি নিজের প্রেমিকাকে আত্মীয় বা বন্ধুদের সাথে পরিচয় করিয়ে দেন না। অনেক পুরুষ আছেন যারা স্ত্রীকে বন্ধু বা কলিগদের সাথে পরিচয় করিয়ে দেন না, এমনকি ফেসবুকে দুজনের ছবি আপলোড করতেও দ্বিধা বোধ করেন।

এই ধরণের পুরুষের সম্পূর্ণ বিপরীত মানুষটাই আসলে স্বামী বা প্রেমিক হিসাবে আদর্শ। যিনি নিজের স্ত্রী বা প্রেমিকাকে কারো সাথে পরিচয় করিয়ে দিতে বা নিজেদের সম্পর্কের কথা স্বীকার করতে লজ্জিত বোধ করেন না, জানবেন যে তিনি আসলেই আপনাকে খুব ভালোবাসেন।

৫) যার জীবনে সুখের অর্থ স্ত্রী, সন্তান ও পরিবার
যে পুরুষের জীবন তার স্ত্রী, সন্তান ও পরিবারকে ঘিরে আবর্তিত। যে পুরুষ সুখ বলতে বোঝেন যে সবাইকে নিয়ে ভালো থাকা। সবকিছুর উপরে যার কাছে স্ত্রী-সন্তান ও পরিবার, এমন পুরুষকে পেয়ে যে কোন নারীই ধন্য বোধ করেন।

Share this Post
Scroll to Top